কলেজের বৈশিষ্ট্য ও পাঠদান পদ্ধতি

একটি সুস্থ মানবিক সমাজ কর্মোদ্যোগী স্বয়ংসম্পূর্ণ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলাই শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য উদ্দেশ্য। বিজ্ঞান প্রযুক্তির অসামান্য অগ্রগতির ফলে বিশ্ব ব্যবস্থায় যে বিপুল পরিবর্তন এসেছে সে পরিবর্তনের ধারায় নিজেদের সম্পৃক্ত করতে না পারলে জাতীয় উন্নয়ন যেমন সম্ভব নয়, টিকে থাকাও তেমনি অসম্ভব। বর্তমান যুগের সাথে সমতালে চলতে হলে দেশের তরুণ প্রজন্মকে পুঁথিগত জ্ঞানের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত শিক্ষা জ্ঞানের দ্বারা আলোকিত সমৃদ্ধ হতে হবে। একজন শিক্ষার্থীর মনে চিন্তন দক্ষতা, কল্পনাশক্তি, অনুসন্ধিৎসা সৃজনশীলতার আগ্রহ সৃষ্টি করে দেয়াই আধুনিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য। লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিক্ষার মানোন্নয়নেহলি ল্যান্ড কলেজশিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কতিপয় সুপরিকল্পিত গঠনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যা শিক্ষার্থীকে আবশ্যকীয় জ্ঞান, বিষয় ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি সুনাগরিক হতে সাহায্য করবে।

পাঠদান পদ্ধতি :

  • সুনির্দিষ্ট একাডেমিক পরিকল্পনা।
  • দৈনন্দিন পাঠ পরিকল্পনা।
  • শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে কম্পিউটার, প্রজেক্টর, হোয়াইটবোর্ড, ইন্টারনেট ইত্যাদি আধুনিক শিক্ষা উপকরণের ব্যবহার।
  • লেকচার, পার্টিসিপেটরি ও গ্রুপ ডিসকাশন পদ্ধতিতে পাঠদান।
  • বিজ্ঞান শাখার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত ব্যবহারিক ক্লাস।
  • অনলাইন কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরিতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিষয় ভিত্তিক প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও তথ্য সংগ্রহের সুযোগ।
  • দুর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের ওয়ান-টু-ওয়ান পদ্ধতিতে পাঠদান। প্রাইভেট বা কোচিং-এর বিকল্প হিসেবে SSP ও ESP-এর ব্যবস্থা।

কলেজের ব্যতিক্রর্মী বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল ক্লাসরুম।
  • অভিজ্ঞ অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ও প্রভাষকম-লী দ্বারা পাঠদান।
  • কোনো শিক্ষার্থীর প্রাইভেট বা কোচিং-এর প্রয়োজন হয় না।
  • মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান।
  • অনলাইন কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরি।
  • নিয়মিত ক্লাসের বাইরেও SSP ও ESP-এর ব্যবস্থা।
  • সম্পূর্ণ ধূমপান ও রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস।
  • সুসজ্জিত ও আধুনিক আবাসিক সুবিধা।
  • সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
  • নিরিবিলি ও খোলামেলা ন্যাচারাল ক্যাম্পাস।
  • অভিজ্ঞ ও দক্ষ দেশি-বিদেশি পরিচালকম-লী দ্বারা পরিচালিত।
  • ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা।
  • ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ক্যান্টিন ব্যবস্থা